পোস্টগুলি

দুঃখ দিবস

আজ তোমার বয়ছে চোখের পানি,   আজ দুঃখ-ব্যাথায় ধুমরে-মুছরে পড়ে আছো হে তুমি, যন্ত্রনায় কাতর,  ব্যাথাতুর হৃদয়, তোমার ওজনকে শতগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। আজ হচ্ছে মনে, চরম অসহায় আপনে, হৃদয় মাঝে কল-কল রবে, বয়ে চলা, রক্তনদী, প্রতি মুহুর্ত, প্রতিক্ষণ, তোমায় দিয়ে যাচ্ছে কষ্ট। সে দিন বেশী দূরে নই, সেই সময় শুধু মা্ত্র অপেক্ষমান, যখন, ভালবাসায় মিশিয়ে, আনন্দে ভাঁসিয়ে, শুধু হেসে যাবে তুমি, তখন থাকবে না, কোন দুঃখ-ব্যাথা-ব্যার্থতা তোমার মিষ্টি হাসিটুকু থামানোর জন্য সেই সময়।

পেট্রোল বোমা

পুড়ঁছে মানুষ, মরছে মানুষ, যন্ত্রনায় কাতঁরাচ্ছে মানুষ, তবুও, দেশের কর্তাদের নেই কোন কোন হুঁশ। হাসিনা কহে, মানুষ মারছে খালেদা, জবাবে, হাসিঁয়া কহে খালেদা, আমরা এর সাথে কোন ভাবেই জড়িত নহে। আমরা, সাধারন জনগন, মরছি পুড়েঁ সারাক্ষন, বাচাঁর উপায় খুঁজতে গিয়ে, কয়লা হয়ে ফিরছি ঘরে। তাই মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন এখন, পেট্রোল বোমা মারছে কোন জন? ডি.জি.এফ.আই. নইতো কি???

মুক্তির আন্দোলন

দিন বদলের বইছে হাওয়া, সব মানুষের একই চাওয়া, গনতন্ত্র মুক্তি পাক, সৈরাচার নিপাত যাক। যে জমিন রক্তে স্নাত হয়, সেই জমিনে শোষকের রক্তচুক্ষু স্থায়ী নয়, যত ঝড়-বৃষ্টি আসবে-আসুক, বিজয় অচিরেই আসবে। মায়ের হাতে, খাওয়া হয় না কতো দিন, বাসার বিচানায়, পিঠ এলিয়ে শোয়া হয় না বহু দিন, তারপরও যাবো না ফিরে, বিজয় না নিয়ে ঘরে। উৎসর্গকৃতঃ আন্দোলনের নিবেদিত কর্মী ভাইদের প্রতি।

ট্রাকের রাজনীতি

ঝুলায় তালা, খুলে তালা, পুলিশে এসে দাঁড়ায় নিরাপত্তায়, যখন ডাক পড়ে আন্দোলনের। ইটের ট্রাক, বালির ট্রাক, রাস্তায় এসে দাড়াঁয়, যখন ডাকা হয় সমাবেশ। হর-হামেশা রং বদলানো, রাজনীতি আর লাগেনা ভালো, যেতে চাই উড়ে মন, দূর অজানায়। যেথা নেই এমন, রাজনীতির নোংরা খেলা।

রং নাম্বার

মানুষ জাতি আসলে বড্ড অসহায়, রাস্তার যে ভিখিরী সে যেমনটি অসহায়, যিনি রাষ্ট্রের অধিপতি তিনি ও ঠিক তেমনটি অসহায়। ভিক্ষকের অসহায়ত্ব আমাদের সকলের কাছে প্রকাশিত, কিন্তু রাষ্ট্রাধিপতির আসহায়ত্ব প্রাসাধের চার দেয়ালের মধ্যে বন্ধি। এবং তা নিরবে অশ্রু বিসর্যন করে চলেছে প্রতিনিয়ত। আর তাই, সৃষ্টির অবশ্যম্ভাভিক নিয়মে, আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হয় সৃষ্টিকর্তার উপর, কিন্তু সেই বিশ্বাসে যদি কোন ভুল থেকে থাকে, সেই বিশ্বাস নিয়ে যদি কেউ ব্যাবসা শুরু করে, তখনই তা চলে যায়, রং নাম্বারে।

মানবাধিকার দিবস : ফেরিওয়ালা

আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস, শীতের এই সকালে, লাল টিপ কপালে,  সুন্দরী ললণারা, বিকি-কিনি করছে মানবাধিকার, সুলভ মূল্যে। আজ মানবাধিকার পড়ছে ঝড়ে, বক্তাদের আর্তচিৎকারে, তাদের মুখ-নির্গত লালা থেকে, কখনো বা মায়াকান্না হয়ে। আজ মানবাধিকার শব্দটি বলতে গিয়ে, রাষ্ট্রের অর্থগুলো, আর্শিবাদ হয়ে ঝড়ে পড়ছে, হাজারো স্বার্থবাদির পকেটে। আজ মানবাধিকার দিবসের, কর্মসূচি গুলো বাস্থবায়নে, ডঃ মিজানের বিশ্রামহীন সময় দিতে হচ্ছে পাড়ি। আজ ঠিক, এই দিনে, এই সময়ে, অনেকের কাছে, মানবাধিকার ফাঁসির দড়িঁ হয়ে ঝুলে আছে, বন্দি  হয়ে আছে মানবাধিকার জেল নামক পিঞ্জিরায়, রক্ত হয়ে পড়ছে ঝড়ে, হায়েনার বুলেটের আঘাতে মানবাধিকার। তাই, শুধু ধিক্কার, শুধুই ধিক্কার, মানবাধিকারের এই সব স্বার্থবাজ. ফেরিওয়ালাদের।।

“হুমায়ন আহমেদের দৃষ্টিতে, ১৯৭১ সালে ইসলামী ছাত্রসংঘ ও অন্যান্য ছাত্রসংগঠন”

“ সেই মাতাল সময়ে ছাত্রদের রাজনৈতিক বিভাজন ছিল এরকম- ক) ছাত্র ইউনিয়ন:::: যারা এই দলে ধরেই নেওয়া হতো তাদের মধ্যে মেয়েলিভাব আছে। তারা পড়ুয়া টাইপ। রবীন্দ্রনাথ তাদের গুরুদেব। এরা পাঞ্জাবী পাড়তে পছন্দ করে। গান বাজনা, মঞ্চনাটক জাতীয় অনুষ্টান গুলিতে উপস্থিত থাকে। এদের ভাষা শুদ্ধ। নদীয়া শান্তিপুর স্টাইলে। যে-কোন বিপদআপদে দ্রুত স্থানত্যাগ করতে এরা পারদর্শী। মিছিলের সময় পালানোর সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে এরা পেছনেরদিকে থাকে। এই দলটির আবার দুটি ভাগ। মতিয়া গ্রুপ, মেনন গ্রুপ। এক দলের উপর দিয়ে চীনের বাতাস বয়, আরেক দলের ওপর দিয়ে রাশিয়ার বাতাস বয়। খ)ছাত্রলীগ:::: পড়াশোনায় মিডিকার এবং বডি বিল্ডাররা এই দলে। এই সময়ে তাদের প্রধান কাজ এনএসএফ-এর গুন্ডাদের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করা। ছাত্র ইউনিয়নের ছেলেদের সামনে তারা খানিকটা হীনমন্যতায় ভোগে। মারদাঙ্গায় এবং হলের ক্যানটিনে খাবার বাকিতে খাওয়ার এরা বিশেষ পারদর্শী। গ) ইসলামী ছাত্রসংঘ:::: মওদুদীর বই বিলিয়ে ‘দীনের দাওয়াত দেওয়া’ এদের অনেক কাজের একটি। পূর্বপাকিস্থানকে হিন্দুয়ানি সংস্কৃতির হাত থেকে রক্ষা করা, মসজিদ ভিত্তিক সংগঠন করা এদের কাজ। দল হিসাবে...