পোস্টগুলি

জুন, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বৃদ্ধ বাবা-মা কখনো হঠাৎ বৃদ্ধ হয় না।

 সব সন্তানই একদিন বাবা-মা হয় না। কিন্তু সব সন্তানই কোনো না কোনোদিন সন্তান ছিল। এই কথাটা খুব সহজ। এত সহজ যে মানুষ এই কথার ভেতরের কষ্টটা বুঝতে পারে না। সহজ কথা মানুষ সাধারণত গুরুত্ব দেয় না। কঠিন কথা শুনলে মাথা নাড়ে, সহজ কথা শুনলে হাই তোলে। আমাদের পাশের বাসায় এক ভদ্রলোক থাকতেন। নাম মতিউর রহমান। আমরা ডাকতাম মতিন সাহেব। মানুষটা খুব সাধারণ। এত সাধারণ যে তাকে দেখলে মনে হতো আল্লাহ পৃথিবীতে কিছু মানুষ বানিয়েছেন শুধু ভিড় পূরণ করার জন্য। অফিসে যেতেন, ফিরতেন, বাজার করতেন, ছেলের জন্য কমলা কিনতেন, মেয়ের জন্য ফিতা কিনতেন, স্ত্রীর জন্য মাঝে মাঝে কাঁচা মরিচ বেশি আনতেন। কারণ তার স্ত্রী ঝাল খেতে ভালোবাসতেন। মতিন সাহেবের একটা ছেলে ছিল। নাম রাফি। ছেলেকে তিনি খুব ভালোবাসতেন। ভালোবাসা বলতে আমরা যা বুঝি, তার চেয়েও বেশি কিছু। নিজের জন্য নতুন পাঞ্জাবি না কিনে ছেলের জন্য জুতা কিনে আনা, দুপুরে অফিসের ক্যান্টিনে মাছ না খেয়ে টাকা জমিয়ে ছেলের কোচিং ফি দেওয়া, শীতের রাতে নিজের কম্বলটা অর্ধেক গায়ে দিয়ে বাকি অর্ধেক ছেলের গায়ে টেনে দেওয়া—এইসব ছোট ছোট ব্যাপার। ছোট ব্যাপারগুলোই আসলে বড়। বড় ব্যাপ...

“বাবা, আমাকে রেখে চলে যাচ্ছ?”

 মসজিদে যাওয়ার সময় মেয়ে আমার, পেছন থেকে ডাক দিয়ে বলে, “বাবা, আমাকে রেখে চলে যাচ্ছ?” হৃদয় আমার হাহাকার করে ওঠে, বলে ওঠে— একদিন তুমিও, সাজ্জাদ, ছেড়ে চলে যাবে; পেছনে রেখে যাবে সবাইকে, সবকিছুকে।