পোস্টগুলি

2015 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দুঃখ দিবস

আজ তোমার বয়ছে চোখের পানি,   আজ দুঃখ-ব্যাথায় ধুমরে-মুছরে পড়ে আছো হে তুমি, যন্ত্রনায় কাতর,  ব্যাথাতুর হৃদয়, তোমার ওজনকে শতগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। আজ হচ্ছে মনে, চরম অসহায় আপনে, হৃদয় মাঝে কল-কল রবে, বয়ে চলা, রক্তনদী, প্রতি মুহুর্ত, প্রতিক্ষণ, তোমায় দিয়ে যাচ্ছে কষ্ট। সে দিন বেশী দূরে নই, সেই সময় শুধু মা্ত্র অপেক্ষমান, যখন, ভালবাসায় মিশিয়ে, আনন্দে ভাঁসিয়ে, শুধু হেসে যাবে তুমি, তখন থাকবে না, কোন দুঃখ-ব্যাথা-ব্যার্থতা তোমার মিষ্টি হাসিটুকু থামানোর জন্য সেই সময়।

পেট্রোল বোমা

পুড়ঁছে মানুষ, মরছে মানুষ, যন্ত্রনায় কাতঁরাচ্ছে মানুষ, তবুও, দেশের কর্তাদের নেই কোন কোন হুঁশ। হাসিনা কহে, মানুষ মারছে খালেদা, জবাবে, হাসিঁয়া কহে খালেদা, আমরা এর সাথে কোন ভাবেই জড়িত নহে। আমরা, সাধারন জনগন, মরছি পুড়েঁ সারাক্ষন, বাচাঁর উপায় খুঁজতে গিয়ে, কয়লা হয়ে ফিরছি ঘরে। তাই মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন এখন, পেট্রোল বোমা মারছে কোন জন? ডি.জি.এফ.আই. নইতো কি???

মুক্তির আন্দোলন

দিন বদলের বইছে হাওয়া, সব মানুষের একই চাওয়া, গনতন্ত্র মুক্তি পাক, সৈরাচার নিপাত যাক। যে জমিন রক্তে স্নাত হয়, সেই জমিনে শোষকের রক্তচুক্ষু স্থায়ী নয়, যত ঝড়-বৃষ্টি আসবে-আসুক, বিজয় অচিরেই আসবে। মায়ের হাতে, খাওয়া হয় না কতো দিন, বাসার বিচানায়, পিঠ এলিয়ে শোয়া হয় না বহু দিন, তারপরও যাবো না ফিরে, বিজয় না নিয়ে ঘরে। উৎসর্গকৃতঃ আন্দোলনের নিবেদিত কর্মী ভাইদের প্রতি।

ট্রাকের রাজনীতি

ঝুলায় তালা, খুলে তালা, পুলিশে এসে দাঁড়ায় নিরাপত্তায়, যখন ডাক পড়ে আন্দোলনের। ইটের ট্রাক, বালির ট্রাক, রাস্তায় এসে দাড়াঁয়, যখন ডাকা হয় সমাবেশ। হর-হামেশা রং বদলানো, রাজনীতি আর লাগেনা ভালো, যেতে চাই উড়ে মন, দূর অজানায়। যেথা নেই এমন, রাজনীতির নোংরা খেলা।

রং নাম্বার

মানুষ জাতি আসলে বড্ড অসহায়, রাস্তার যে ভিখিরী সে যেমনটি অসহায়, যিনি রাষ্ট্রের অধিপতি তিনি ও ঠিক তেমনটি অসহায়। ভিক্ষকের অসহায়ত্ব আমাদের সকলের কাছে প্রকাশিত, কিন্তু রাষ্ট্রাধিপতির আসহায়ত্ব প্রাসাধের চার দেয়ালের মধ্যে বন্ধি। এবং তা নিরবে অশ্রু বিসর্যন করে চলেছে প্রতিনিয়ত। আর তাই, সৃষ্টির অবশ্যম্ভাভিক নিয়মে, আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হয় সৃষ্টিকর্তার উপর, কিন্তু সেই বিশ্বাসে যদি কোন ভুল থেকে থাকে, সেই বিশ্বাস নিয়ে যদি কেউ ব্যাবসা শুরু করে, তখনই তা চলে যায়, রং নাম্বারে।

মানবাধিকার দিবস : ফেরিওয়ালা

আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস, শীতের এই সকালে, লাল টিপ কপালে,  সুন্দরী ললণারা, বিকি-কিনি করছে মানবাধিকার, সুলভ মূল্যে। আজ মানবাধিকার পড়ছে ঝড়ে, বক্তাদের আর্তচিৎকারে, তাদের মুখ-নির্গত লালা থেকে, কখনো বা মায়াকান্না হয়ে। আজ মানবাধিকার শব্দটি বলতে গিয়ে, রাষ্ট্রের অর্থগুলো, আর্শিবাদ হয়ে ঝড়ে পড়ছে, হাজারো স্বার্থবাদির পকেটে। আজ মানবাধিকার দিবসের, কর্মসূচি গুলো বাস্থবায়নে, ডঃ মিজানের বিশ্রামহীন সময় দিতে হচ্ছে পাড়ি। আজ ঠিক, এই দিনে, এই সময়ে, অনেকের কাছে, মানবাধিকার ফাঁসির দড়িঁ হয়ে ঝুলে আছে, বন্দি  হয়ে আছে মানবাধিকার জেল নামক পিঞ্জিরায়, রক্ত হয়ে পড়ছে ঝড়ে, হায়েনার বুলেটের আঘাতে মানবাধিকার। তাই, শুধু ধিক্কার, শুধুই ধিক্কার, মানবাধিকারের এই সব স্বার্থবাজ. ফেরিওয়ালাদের।।

“হুমায়ন আহমেদের দৃষ্টিতে, ১৯৭১ সালে ইসলামী ছাত্রসংঘ ও অন্যান্য ছাত্রসংগঠন”

“ সেই মাতাল সময়ে ছাত্রদের রাজনৈতিক বিভাজন ছিল এরকম- ক) ছাত্র ইউনিয়ন:::: যারা এই দলে ধরেই নেওয়া হতো তাদের মধ্যে মেয়েলিভাব আছে। তারা পড়ুয়া টাইপ। রবীন্দ্রনাথ তাদের গুরুদেব। এরা পাঞ্জাবী পাড়তে পছন্দ করে। গান বাজনা, মঞ্চনাটক জাতীয় অনুষ্টান গুলিতে উপস্থিত থাকে। এদের ভাষা শুদ্ধ। নদীয়া শান্তিপুর স্টাইলে। যে-কোন বিপদআপদে দ্রুত স্থানত্যাগ করতে এরা পারদর্শী। মিছিলের সময় পালানোর সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে এরা পেছনেরদিকে থাকে। এই দলটির আবার দুটি ভাগ। মতিয়া গ্রুপ, মেনন গ্রুপ। এক দলের উপর দিয়ে চীনের বাতাস বয়, আরেক দলের ওপর দিয়ে রাশিয়ার বাতাস বয়। খ)ছাত্রলীগ:::: পড়াশোনায় মিডিকার এবং বডি বিল্ডাররা এই দলে। এই সময়ে তাদের প্রধান কাজ এনএসএফ-এর গুন্ডাদের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করা। ছাত্র ইউনিয়নের ছেলেদের সামনে তারা খানিকটা হীনমন্যতায় ভোগে। মারদাঙ্গায় এবং হলের ক্যানটিনে খাবার বাকিতে খাওয়ার এরা বিশেষ পারদর্শী। গ) ইসলামী ছাত্রসংঘ:::: মওদুদীর বই বিলিয়ে ‘দীনের দাওয়াত দেওয়া’ এদের অনেক কাজের একটি। পূর্বপাকিস্থানকে হিন্দুয়ানি সংস্কৃতির হাত থেকে রক্ষা করা, মসজিদ ভিত্তিক সংগঠন করা এদের কাজ। দল হিসাবে...

অারো একটি স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য

মাগো,,,, তারা আজ করছে বিচার, ৭১ এর সকল আচারের, পাক-হানাদার গোল্লায় যাক, তাদের দোসররা শাস্তি পাক, এই হলো আজ তাদের মূলমন্ত্র। খুন, ধর্ষন, জ্বালাও, পোড়াঁও লুটতরাজ, সব কিছুরই আজ বিচার হবে। তারা আজ এই কথাই বলে বেড়াচ্ছে। মাগো, স্বাধীনতার ৪০ বছর পর আজ বিচার হচ্ছে, স্বাক্ষী হচ্ছে, জেরা হচ্ছে, রায হচ্ছে, ফাসিঁ হচ্ছে। মাগো, গতকাল, হে গতকালইতো!! ওই যে, পাশের বাড়ির এক মেয়েকে, ছা্ত্র নামের কিছু লীগেরা, দিনের পর দিন আটকে রেখে, তার ইজ্জত নষ্ট করেছে, তাদের নামে মামলা করতে গেলে, পুলিশ মামলা নেই না। মাগো, গুন্ডা গুলো আজ আবার এসে বলে গেছে, তাদের নামে মামলা দিলে, ওই বাড়ির ছোট মেয়ের ইজ্জতও নাকি, তারা নষ্ট করে ছাড়বে। মাগো, ওই মেযেটা, আজ সন্ধ্যায়, হুম, যার ইজ্জত ওই পিশাস গুলো খুবলে-খুবলে নষ্ট করেছে, সেই মেয়েটা, ঠিক সূর্যটা যখন ডুবি-ডুবি করে বিদায় নিচ্ছিলো, ঠিক তখনই, বাসার ফ্যানের সাথে, দড়িঁ বেধেঁ, আর্তহত্যা করেছে। মাগো, ওরা আজ উল্লাসে নেচে বেড়াছে ৪০ বছর আগের বিচার নিয়ে, মাগো, আজকের ঘটে যাওয়া, এই ধর্ষন, এই খুন, এই অবিচার...

জনসমুদ্রময় জানাজা: রাজাকার গোলাম আজম

ছিলাম আমি ঐ সময়, মারলো জুতো কোন সময়? "জয় বাংলা” হাকঁ দিতে দিতে, তারা দশ-বারোটা অবুঝ বালক চাইছিলো পারি দিতে, ঐ জনসমুদ্র।। ছিলাম আমি ঐ সময়, মারলো জুতো কোন সময়? যেই না তাদের বল্লো পুলিশ, ওদিকে যেও না প্লিজ, ওমনি তারা ঘাঁড় গুড়িয়ে, রইলো দাড়িঁয়ে গাল ফুলিঁয়ে, ভয় পেয়ে ঐ জনসমু্দ্রকে।। ছিলাম আমি ঐ সময়, মারলো জুতো কোন সময়? ঐ বলদ গুলো জানে কি? লক্ষ-কোটির মানে কি? মারতো যদি সবাই থুতু, তলিয়ে যেতো সবকটা ভুতো, ঐ থুতুর সমুদ্রে।। ছিলাম আমি ঐ সময়, মারলো জুতো কোন সময়? ঐ সে জুতো, কোন সে জুতো? ঐ সে বলদ কোন সে বলদ? যা, প্রেস ক্লাব ছাড়িয়ে, সচিবালয় মাড়িয়ে, পল্টন মোড় পেড়িয়ে, প্রফেসরের কফিনে গিয়ে পড়ে, ফাকিঁ দিয়ে, ঐ জনসমুদ্রকে।। ছিলাম আমি ঐ সময়, মারলো জুতা কোন সময়? এক গোলাম আজম গেছে মরে, আজ আমরা কোটি গোলাম আজম ঘরে-ঘরে, থাকলে সাহস মারো দেখি, জুতো মোদের, লাশের সাথে কিসের এতো শত্রুতা তোদের? মনে রখো, আছি আমরা, এই জনসমুদ্র।

যান্ত্রিক জীবন

ইট পাথরের এই শহরে, যন্ত্র মানবের এই বহরে, যাই না কেনা সব কিছুই!! যায় না দেওয়া দাম মিটিয়ে সব কিছুর!!! ঝড়ে পাড়া রক্তেুর দাম দেওয়া যায় কি টাকা দিয়ে? হারিঁয়ে যাওয়া জীবন গুলোর দাম মাপা যাবে কি টাকা দিয়ে? ভালবাসা আর কষ্টের অনূভুতি গুলো মাপা যাবে কি হিসাব কষে? আজকে মোরা হয়ে গেছি সব যন্ত্র মানব, মানুষ রুপি মুখোশ পড়ে ঘুরছি সবাই।

স্বপ্ন ও জীবন

জীবন হলো এক বয়ে চলা নদী, চলে বয়ে তা নিরবধি, যতই আসুক দুঃখ-কষ্ট, ব্যাথা-বেদনা, জীবন নদী কখনো থেমে থাকেনা, হাজারো স্বপ্ন-আশা নিয়ে জীবন আমাদের, শত বাধাঁ-বিপত্তির মাঝে এই স্বপ্নই বাচিঁয়ে রাখে আমাদের, তাই স্বপ্ন ভেঙ্গে গেলে কেদোঁ না হে মন, স্বপ্ন ভেঙ্গে গেলে জীবন থামে না কখনো, বোকা যারা, শুধু তারা, ব্যাথ্যতাই কাধেঁ, হতাশায় ভোগে, আর বুদ্ধিমানরা আবার আশায় বুক বাধেঁ, কারন তারাই শুধু জানে, স্বপ্নময় হয় জীবন, জীবনময় স্বপ্ন নই।

Thinking about my last destination

”ভাবতে আবাক লাগলেও সত্যিই, ওই লাশের মিছিলে আমিও শামিল হতে যাচ্ছি খুব শিগ্রই” আজ আছিতো কালকে নাই, নিশ্বাসের কোন বিশ্বাস নাই, হবে যখন সমনজারী, বন্ধ হবে, দুনিয়াদারি, পাইবে নাকো, একটু সময়, করবে শুধু হায়রে হায়………..

সৈন্দর্য্য ও নারী

গেলাম সে দিন কাকরাইল মোড়ের সিটিসেল কাস্টমার কোয়ারে, কাজ তেমন ছিলো না, ছিলো শুধু একটু এসির বাতাসে বসে বউয়ের জন্য অপেক্ষা করা। পুরো কস্টমার কোয়ার জুড়ে ছিলো না কোন কস্টমার to take the services of them. আর সেই ‍সুযোগে কস্টমার কেয়ারের মেয়ে গুলো দল বেধেঁ আড্ডা দিচ্ছিলো, তাদের আড্ডার দিকে আমার তেমন কোন আগ্রহ ছিলো না, আমার আগ্রহ ছিলো শুধু কখন আমার Wife খান কখন আসিতেছে তার দিকে। কিন্তু তাদের একটা কথা হঠাৎ আমার কানে এসে তীব্র ভাবে বাঝঁলো----- ”একটা মেয়ের বিপদ হওয়ার জন্য তার ফর্সা ও সুন্দর হওয়াটাই যথেষ্ট” ”একটা মেয়ের বিপদ হওয়ার জন্য তার ফর্সা ও সুন্দর হওয়াটাই যথেষ্ট” ”একটা মেয়ের বিপদ হওয়ার জন্য তার ফর্সা ও সুন্দর হওয়াটাই যথেষ্ট” আসলেই তো……… যে মেয়ের একটু ফর্সা বা সুন্দর তার মতো হতভাগীনি আর কেউ হতে পারে না। অন্তত আমাদের মতো দেশে তার অনেক সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়, যদিও বা কিছু দিন ধরে একটা বিজ্ঞাপন খুবই প্রচার হচ্ছে দেখছি, সৌন্দর্য মানে কালো হয়, শ্যামলা হয়… এই কথা গুলো আমাদের বখাটেরা কি বুঝে? কিন্তু পর্দা মেনে চললে, এই সৌন্দর্য কখনো কাল হওয়ার প্রশ্নই আসে না, আসে না...