পোস্টগুলি

Murder of Advocate Saiful Islam Alif by Hindu mob.

 This cold-blooded and premeditated murder of Advocate Saiful Islam Alif by the Hindutva mob, allegedly led by banned ISKCON extremists, is a grave assault on justice and humanity. We demand an impartial investigation and exemplary punishment for the perpetrators. Justice must prevail, and such hate-fueled acts of violence must end. #JusticeForSaiful #StopExtremism

আব্দুল কাদের মোল্লা: কসায় কাদের: আব্দুল কাদের মোল্লা কলেজ

ছবি
  আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জনাব আব্দুল কাদের মোল্লাকে মিরপুরের "কসাই কাদের" হিসেবে অভিযুক্ত করে বিচার করা হয়েছিল। তার পরিচয়কে মিরপুরের একজন কসাই এবং ঢাকার একজন বাসিন্দা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল। আমাদের ডিফেন্স টিম শুরু থেকেই সম্ভাব্য অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখছিল । আমাদের মূল ডিফেন্স ছিল যে জনাব আব্দুল কাদের মোল্লা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী এবং পুরো মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় ফরিদপুরে অবস্থান করেছিলেন । এই দাবির পক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষ্যও ছিল । তদুপরি , তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছিলেন এবং এমনকি ট্রেনিংও নিয়েছিলেন বলে প্রমাণ উপস্থাপন করা হয় । কিন্তু এগুলো যথেষ্ট ছিল না । বিচার প্রক্রিয়ায় ডিফেন্সকে তথ্য ও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল । " কসাই কাদের " কে ? কিন্তু , গদবাধা , ডিফেন্স কেইস এর বাইরে গিয়ে , আমি এবং আমার টিম   বের করতে চেষ্টা করেছিলাম , এই কাদের মোল্লাটা কে , যাকে কসাই কাদের বলা হচ্ছে , সে কি আসলে ছিল ? নাকি এটা কোন ক...

পথে প্রান্তরে-২০.১১.২০২৪

  রাস্তার ধারে এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট মেয়ে, বয়স পাঁচ-ছয়ের বেশি হবে না। উসকে-পাঁকিয়ে থাকা চুল, মুখে জমে থাকা ময়লার ছাপ, আর পরনে একখানা পুরনো ময়লা ফ্রক। দেখলেই বোঝা যায়, জীবনের কণ্টকময় পথ সে এখনো কেবল শুরু করেছে। তবে তার মায়াবী চোখে যেন অদ্ভুত এক মাধুর্য, যা দেখে চোখ ফেরানো মুশকিল। মেয়েটির নজর এখন জুতা পলিশের দিকে। কী এক ভেলকি! তার কাছে এটা যেন এক রাজ্যের জাদু। এক জোড়া পুরনো ময়লা জুতা, আর হাতে ঘষা মাত্রই চকচকে নতুন হয়ে ওঠে। মেয়েটি মনোযোগ দিয়ে দেখছে, মুখটা হা হয়ে গেছে কৌতূহলে। সে এতটাই মগ্ন যে, যেন দেখতে চাইছে—জুতার মসৃণতায় তার নিজের প্রতিচ্ছবি কি দেখা যাচ্ছে? তার নিষ্পাপ কৌতূহল আর মুগ্ধ চাহনিতে আশেপাশের পথচারীরা মুহূর্তের জন্য থমকে দাঁড়ায়। তাদের মনে যেন একটাই প্রশ্ন: জীবনের কঠিন বাস্তবতা কি এতটুকু মায়ার মধ্যে মিশে থাকতে পারে? মেয়েটির অমলিন কৌতূহল আর চাহনি সবাইকে মনে করিয়ে দেয়, জীবনের রুক্ষতা সত্ত্বেও শিশুদের মন আজও জাদুর খোঁজে আছে।

দুঃখ দিবস

আজ তোমার বয়ছে চোখের পানি,   আজ দুঃখ-ব্যাথায় ধুমরে-মুছরে পড়ে আছো হে তুমি, যন্ত্রনায় কাতর,  ব্যাথাতুর হৃদয়, তোমার ওজনকে শতগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। আজ হচ্ছে মনে, চরম অসহায় আপনে, হৃদয় মাঝে কল-কল রবে, বয়ে চলা, রক্তনদী, প্রতি মুহুর্ত, প্রতিক্ষণ, তোমায় দিয়ে যাচ্ছে কষ্ট। সে দিন বেশী দূরে নই, সেই সময় শুধু মা্ত্র অপেক্ষমান, যখন, ভালবাসায় মিশিয়ে, আনন্দে ভাঁসিয়ে, শুধু হেসে যাবে তুমি, তখন থাকবে না, কোন দুঃখ-ব্যাথা-ব্যার্থতা তোমার মিষ্টি হাসিটুকু থামানোর জন্য সেই সময়।

পেট্রোল বোমা

পুড়ঁছে মানুষ, মরছে মানুষ, যন্ত্রনায় কাতঁরাচ্ছে মানুষ, তবুও, দেশের কর্তাদের নেই কোন কোন হুঁশ। হাসিনা কহে, মানুষ মারছে খালেদা, জবাবে, হাসিঁয়া কহে খালেদা, আমরা এর সাথে কোন ভাবেই জড়িত নহে। আমরা, সাধারন জনগন, মরছি পুড়েঁ সারাক্ষন, বাচাঁর উপায় খুঁজতে গিয়ে, কয়লা হয়ে ফিরছি ঘরে। তাই মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন এখন, পেট্রোল বোমা মারছে কোন জন? ডি.জি.এফ.আই. নইতো কি???

মুক্তির আন্দোলন

দিন বদলের বইছে হাওয়া, সব মানুষের একই চাওয়া, গনতন্ত্র মুক্তি পাক, সৈরাচার নিপাত যাক। যে জমিন রক্তে স্নাত হয়, সেই জমিনে শোষকের রক্তচুক্ষু স্থায়ী নয়, যত ঝড়-বৃষ্টি আসবে-আসুক, বিজয় অচিরেই আসবে। মায়ের হাতে, খাওয়া হয় না কতো দিন, বাসার বিচানায়, পিঠ এলিয়ে শোয়া হয় না বহু দিন, তারপরও যাবো না ফিরে, বিজয় না নিয়ে ঘরে। উৎসর্গকৃতঃ আন্দোলনের নিবেদিত কর্মী ভাইদের প্রতি।

ট্রাকের রাজনীতি

ঝুলায় তালা, খুলে তালা, পুলিশে এসে দাঁড়ায় নিরাপত্তায়, যখন ডাক পড়ে আন্দোলনের। ইটের ট্রাক, বালির ট্রাক, রাস্তায় এসে দাড়াঁয়, যখন ডাকা হয় সমাবেশ। হর-হামেশা রং বদলানো, রাজনীতি আর লাগেনা ভালো, যেতে চাই উড়ে মন, দূর অজানায়। যেথা নেই এমন, রাজনীতির নোংরা খেলা।